আমার লেখা
ব্যাংকব্যাবস্থা ও টাকার গোপন রহস্য
আপনি কি জানেন একফালি কাগজ কিভাবে এত গুরুত্বপূর্ণ হলো? অর্থনৈতিক বৈষম্য লাগামহীনভাবে বেড়ে যাচ্ছে কেন? আর কেনই বা উন্নত বিশ্ব এত ঋণগ্রস্থ হয়ে যাচ্ছে। প্রশ্নগুলো খুব তাত্ত্বিক এবং বিচ্ছিন্ন বলে মনে হতে পারে। অথবা মনে হতে পারে এগুলো জানা কি আমাদের খুব প্রয়োজন?
ইসলামি ব্যাংকব্যাবস্থার শুভংকরের ফাঁকি
নতুন-ধারার এই আর্থিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানতে উৎসুক, আবার অনেকে প্রচন্ড সন্দিহান। তাই ইসলামী ব্যাংকব্যবস্থা কীভাবে কাজ করে, আধুনিক ব্যাংকব্যবস্থার সাথে এর মিল-অমিল, সীমাবদ্ধতা ও সমাধান নিয়ে সংক্ষিপ্ত পরিসরে বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে।
গল্পে গল্পে অর্থনীতি
গল্প হচ্ছে এমনই একটি জাদু, যা কঠিন বিষয়কেও আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত করে তোলে। তাই অর্থনীতির জটিল পাঠগুলোকে সহজ করে তুলে ধরতে বহুকাল ধরে চলে আসা সেই পদ্ধতিটির অনুসরণ করে ‘গল্পে গল্পে অর্থনীতি’ বইটি লেখা হয়েছে। এই বইটির অধ্যায়গুলো শুরু হয়েছে ‘ঠাকুরমার ঝুলি’ কিংবা ‘ঈশপের গল্পের’ মতো প্রাণবন্ত উপস্থাপনায়।
সুদ হারাম কর্যে হাসানা একটি সমাধান
সুদ হারাম, সুদের ৪টা প্রকারের নাম বলতে পারবেন? আপনি যদি না জানেন কী কী কারণে ও কীভাবে লেনদেন করলে সুদ হয়, তাহলে সুদ থেকে বাঁচবেন কী করে? দ্বীনের হালাল-হারামের জ্ঞান অর্জন আপনার উপর ফরজ, সেই ফরজটা কি তাহলে অর্জিত হয়েছে? কখনো টাকা ঋণ নিয়েছেন? কাউকে ঋণ দিয়েছেন?
ডলারের খেলা ও রাষ্ট্রের দেউলিয়াত্বের রহস্য
কখনো ভেবে দেখেছেন, কেন একের পর এক দেশ দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে? ডলার কীভাবে বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করে? আর কেনইবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় প্রেসিডেন্ট থমাস জেফারসন বলেছিলেন, “আমি বিশ্বাস করি, আমাদের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে বিদেশী সেনাবাহিনীর থেকেও বেশি বিপদজনক হচ্ছে ব্যাংকব্যবস্থা
মানি মাস্টার্স
আপনি যখন এই লেখাটা পড়ছেন, ঠিক সেই সময়টায় আপনার পকেট থেকে অল্প অল্প করে টাকা চুরি হয়ে যাচ্ছে। না না, কোনো ছিচকে পকেটমারের পাল্লায় আপনি পড়েননি। বরং পড়েছেন এক ঝানু লুণ্ঠকের হাতে, যে আপনার অগোচরে চুরি করে নিচ্ছে আপনার অর্থের ক্রয়ক্ষমতা বা প্রাণশক্তি। অক্টোপাসের মতো তার সহস্রকোটি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অদৃশ্য হাত প্রতিনিয়ত হানা দিচ্ছে আমাদের সবার পার্সে ও পকেটে। সুদূর মহাকাশে কিংবা সমুদ্রের অতল গহ্বরে আপনি টাকা নিয়ে লুকিয়ে এর হাত থেকে বাঁচতে পারবেন না। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে, সাধারণ মানুষ এই ব্যাপারে সম্পূর্ণ অন্ধকারে আছে। অর্থব্যবস্থার অলক্ষিত সেই পুকুরচুরির ইতিবৃত্ত উন্মোচনের তাগিদ থেকেই আমাদের এই প্রয়াস।
বিশ্ব বাণিজ্য ও আধিপত্যবাদ
যুগে যুগে শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান রাষ্ট্রগুলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূ রাজনীতির গুটি চেলে উপরে উঠেছে এবং কেউ-বা ভুল পদক্ষেপের ফলে পতিত হয়েছে। ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া, অটোমান ও অস্ট্রিয়া একদা প্রায় সমমানের শক্তিশালী ছিল। সেখান থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীতে ব্রিটেনের এবং বিংশ শতাব্দীতে আমেরিকার উত্থান আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূ-রাজনৈতিক কৌশলের সফল পদক্ষেপের বিনিময়ে এসেছে।
বাংলা ভাষা-ভাষী পাঠক-পাঠিকাদের জন্য সেই জটিল খেলা এবং মুদ্রাকেন্দ্রিক ক্ষমতায়নের রহস্য উন্মোচন করার প্রয়াস ছিল এই পুস্তকটি। আশা করি, বইটি আপনাদের সামনে গল্পের ছলে ও সরল বাংলায় স্পষ্ট করে তুলে ধরতে পারবে এই রহস্যময় জগতের খেলাগুলোকে।
প্রোটোকলস অব জায়োনিজম
‘এটা কোনো রূপকথা নয়; বরং ভয়ঙ্কর বাস্তবতা। এটা কেবল কোনো আন্দাজ-অনুমান নয়, বরং গভীর চিন্তা-ফিকির করে তৈরি করা অবিশ্বাস্য পরিকল্পনা। এটি বানোয়াট কোনো রচনা নয়, বরং জীবনের গোপন উৎস সম্পর্কে গভীরভাবে অবগত ব্যক্তিদেরই গৃহীত পরিকল্পনা।’ – ডায়ারবোর্ন, ইন্ডিপেন্ডেন্ট, ১০ জুলাই ১৯২০
সেই নীতিগুলোরই মলাটবদ্ধ সংস্করণ ‘প্রোটোকলস অফ জায়োনিজম : ইহুদি ষড়যন্ত্রের গোপন দলিল’। ইন্টারনেট ও একাডেমিয়ার প্রতিটি অংশ আপনাকে বলবে এই প্রোটোকলস হচ্ছে ইহুদি বিদ্বেষী দলিল বা কন্সপিরেসি থিওরি। কিন্তু পাঠক নিজেই পড়ে যাচাই করুন এবার।